উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসমূহে নিয়মিত গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সংঘর্ষে জড়াচ্ছে মিয়ানমারের একাধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। হত্যার ঘটনাও ঘটছে অহরহ। একইসঙ্গে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বসতি জ্বলছে নাশকতার আগুনে। সবকিছুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে নবী হোসেন ও আবদুল হাকিমকে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নবী হোসেনের হাত ধরেই ক্যাম্পে ঢুকছে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথসহ অস্ত্রের চালান। আর ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি, মানবপাচার ও মাদকের বিস্তার হচ্ছে আবদুল হাকিমের নেতৃত্বে।
.png)
একাধিক রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদকের টাকা ভাগাভাগি ও ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নবী হোসেন বাহিনী ও আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে নবী হোসেন ও আবদুল হাকিমের পক্ষে মাঠে নেমেছে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)। এর বাইরেও মাস্টার মুন্না গ্রুপ, ইসলাম, নবাব আলী, ফরিদ, আসাদ, জুবায়ের, কামাল হোসেন, ছালামত উল্লাহ, জাবু, মুমিন, জাকির ও শফিউল্লাহ বাহিনী সক্রিয় রয়েছে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আমির জাফর জানান, নবী হোসেন ও আবদুল হাকিমকে ধরতে এপিবিএনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।