জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র এ সভার আয়োজন করে। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ডা. সঞ্জীব মৈত্রীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রভাংশু সোম মহান।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক অফিসার চন্দন কুমার পাল, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মল্লিকা গোস্বামী, সমাজসেবক আশু রঞ্জন দাশ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন মাসুদ, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. বর্নালী দাশ প্রমুখ।
.png)
আলোচনা সভায় বক্তারা জানান, অপরিণত বয়সে মা হলে ত্রুটিপূর্ণ সন্তান জন্ম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার বেশি বয়সে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক স্বাভাবিক কার্যাবলী হ্রাস পায়। তাই ৩৫ বছরের পর প্রথম সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। গর্ভাবস্থায় মায়ের ঘন ঘন খিঁচুনি হলে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে অক্সিজেনের অভাব ঘটে ও তার মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। তাই এসব বিষয়ে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।