বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছৈয়দুল হক মারা যান। ছৈয়দুল হক ওই এলাকার মৃত ছৈয়দ আলমের ছেলে। তিনি ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জনক। পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান সিদ্দিকী।
.png)
তিনি জানান, ছৈয়দুল হকের বসতভিটার সীমানার একটি গাছ নিয়ে পার্শ্ববর্তী ইউসুফের সঙ্গে দীর্ঘদিন বিরোধ ছিল। এরমধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন গাছ কাটতে গেলে ছৈয়দুল হক বাধা দেন। এর জের ধরে গত ২৪ এপ্রিল রাত এবং পরের দিন সকালে ইউসুফ, তার ছেলে ওমর হামজা, ইসমাইলসহ আরও কয়েকজন মিলে ছৈয়দুল হককে দুই দফা মারধর করেন। এ সময় কুড়াল দিয়ে ছৈয়দুল হকের মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। উদ্ধার করে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান ছৈয়দুল হক।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, সীমানা বিরোধ নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।