১৫ বছরের মালেক চেঙ্গা এলাকার হাসমত আলীর ছেলে। সে দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মুরগীর দোকানে কর্মচারী ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোকানে কাজ শেষে প্রতিদিন রাতে বাড়ি ফেরে মালেক। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে সে বাড়ি আসেনি। অনেক খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি স্বজনরা। পরে চেঙ্গা এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
.png)
জানতে চাইলে দুপচাঁচিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রশিদ সরকার বলেন, মালেকের মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।