পাংশা উপজেলা ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী জানান, উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামের আক্কাস মোল্লার মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে জোর করে বাল্যবিবাহ দেওয়া হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে রাত ৯টায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও পাংশা মডেল থানার পুলিশ ফোর্সসহ ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। মেয়ের অভিভাবক মেয়ের বয়স ১৯ বছর বলে দাবি করলে তাৎক্ষণিক অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের কপি যাচাই করে দেখা যায় উপস্থাপিত জন্ম নিবন্ধন সনদটি ভুয়া। পরে বাড়ি তল্লাশি করে মেয়ের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার মডেল টেস্টের প্রবেশপত্র পাওয়া যায়। তাতে ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর ৪ মাস।
.png)
তিনি আরো জানান, অভিভাবক হিসেবে মেয়ের বাবা আক্কাস মোল্লা ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি মেয়ের ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত বাবার বাড়িতে অবস্থান করাসহ পড়াশোনা চালিয়া যাওয়ার বিষয়ে আক্কাস মোল্লার থেকে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়।