এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাউসার মিয়াকে (স্বামী) গ্রেফতারের পর শনিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে পাঠায় পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহত স্বপ্না আক্তারের বাবা মহরম আলী বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- গ্রেফতারকৃত আসামি কাউসার মিয়ার ছোট ভাই ইউসুফ মিয়া (২৪) ও ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী রুপা বেগম (২০)।
.png)
জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল তাদের একমাত্র সন্তান আরাবি (৪) তার আপন ছোট চাচা ইউসুফ মিয়ার ঘরে ঢুকে তাদের ব্যবহারের ফেসওয়াস ও টুথপেস্ট নষ্ট করে ফেলেন। এ নিয়ে ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী রুপা বেগম আরাবির মা স্বপ্না আক্তারকে গালিগালাজ করেন। এতে স্বপ্না আক্তার রাগে ছেলে আরাবিকে মারধর করলে স্বামী কাউসার মিয়া ছেলেকে মারতে দেখে স্ত্রীকে শাসন করেন। একপর্যায়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন কাউসার। পরে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ এপ্রিল (শুক্রবার) তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় স্বামী কাউসার মিয়া বলেন, গত তিন মাস আগে স্বপ্না আক্তারের পেট অপরেশন করা হয়েছিলো। সেদিন ছেলেকে মারধরের পর অনাকাঙ্খিত ভাবেই ঘটনাটি ঘটে।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, অভিযোগের পর রাতেই ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানার চরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসারি কাউসার মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।