মৃত ইয়াছমিন পলাশ উপজেলার ভাগপাড়া গ্রামের আব্দুল রহিম মিয়ার মেয়ে ও ইমা একই গ্রামের ইকবাল হোসেনের মেয়ে। ইমা পলাশ কো-অপারেটিভ স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও ইয়াছমিন বাংগালপাড়া স্কুলের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ইমা, ইয়াছমিন ও চাচাতো বোন সাদিয়াকে নিয়ে লাখপুর খেয়া ঘাটের পাশে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নামেন। একপর্যায় সাদিয়া নদী থেকে গোসল শেষে ঘাটে উঠতে পারলেও ইয়াছমিন ও ইমা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে সাদিয়া বাড়িতে বিষয়টি জানালে পরিবারের লোকজন ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে।
.png)
এ সময় নৌকা দিয়ে জালের মাধ্যমে তাদের খোঁজতে শুরু করেন স্থানীয়রা। পরে টঙ্গী থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে আবারো উদ্ধার কাজ শুরু করে। প্রথম দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলা অভিযানে তাদের খোঁজ করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল।
এদিকে দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে আবারো উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইয়াসমিন ও বেলা ১১টার দিকে ইমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পলাশ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার সাদেকুল বারি বলেন, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।