খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে যৌন নির্যাতন, কিশোর জেল হাজতে
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামুন নামে এক কিশোরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত মামুন সদর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মুনহা বাদশার ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে মামুনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিশুর মা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, সোমবার বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল শিশুটি। এ সময় প্রতিবেশী কিশোর মামুন আড়াই বছরের শিশুটিকে খাবারের লোভ দেখিয়ে মামুনের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে মামুন তার ঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে। এর পর শিশুটি ব্যথায় কান্না করলে আবারো বিভিন্ন খাবার খাইয়ে দিয়ে শিশুটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেন। বাড়িতে আসার কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা শিশুটিকে অসুস্থ দেখে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেয়। এ সময় শিশুর পায়ুপথে ব্যথার কথা জানান। এ সময় মা বলেন, বিকেলে মামুনের সঙ্গে শিশুটি খেলাধুলার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ও ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে মামুনকে বাড়িতে ডেকে এনে রাতেই থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় পরিবারটি। এদিকে শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশুর মা জানান, বর্তমানে আমার সন্তান পায়ুপথে প্রচণ্ড ব্যথায় হাসপাতালে কান্না করছে। আমি মামুনের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি (তদন্ত) দুলাল উদ্দীন বলেন, যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। আটক মামুনকে দুপুরে আদালতের মাধ্যেমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।