রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা দিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শিশু বিএলকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত করিব হোসেন (১৮) বাহাদুরপুর গ্রামের রমজান শেখের ছেলে।
.png)
শিশুটির পিতা জানান, তিনি গরুর ব্যবসা করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার কালারহাট থেকে ৩টার দিকে বাড়িতে এসে মাঠে কাজে যান। বাড়িতে রান্নার কাজের জন্য তেলের প্রয়োজন হলে সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির পাশে কবির হোসেনের মুদি দোকানে যায় তার শিশু কন্যা। দোকানদার কবির হোসেন তার শিশুকে একা পেয়ে দোকানের মধ্যে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে আসলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক।
শৈলকুপা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকেলে বাহাদুরপুর গ্রামে এক শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। ধর্ষণকারীকে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আরিফুর রহমান বলেন, ধর্ষণের স্বীকার শিশুটির ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণের কারণে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।