সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিন সকাল পৌনে ৭টার দিকে সদরের নওদাপাড়া এলাকার জঙ্গলের ভেতরের এক পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, গতকাল রোববার দুপুরে বগুড়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ইমরান সদরের বারপুর লাইলিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম ওরফে আফজাল।
.png)
বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর অশোক কুমার সিংহ বলেন, বগুড়ার গাবতলী মডেল থানায় মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকেসহ বেশ কয়েকজন আসামিকে গাড়িতে করে আদালতে নেয়া হচ্ছিল। আদালত চত্বরে আসামিদের স্কট গাড়ি থেকে নামানোর সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে রেখে পালিয়ে যান ইমরান। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করা হয়।
জেলা ডিবি পুলিশের ইনচার্জ মো. সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, ইমরান স্কট গাড়ি থেকে পালানোর পর থেকেই তাকে ধরতে অভিযান শুরু করা হয়। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডাকাতির চেষ্টা, চুরি ও মাদক আইনে করা আগের তিনটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।