বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার নতুন ঘোষগাতী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত কিংকং মোল্লা একই গ্রামের বাসিন্দা। আহতরা হলেন- মৃত কিংকং মোল্লার ছেলে সোহান, মেয়ে হনুফা বেগম, স্ত্রী সাহেদা বেগম এবং প্রতিবেশী মো. ফিরোজ।
আহত মো. ফিরোজ জানান, কিংকং মোল্লার বসতঘর থেকে আরেকটি ঘরে বিদ্যুৎ লাইন নেয়া হয়েছে। ঐ বসতঘর ও রান্না ঘরের সঙ্গে একটি গুনা তার টাঙানো হয়েছে কাপড় শুকানোর জন্য। পাশের ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের তার ছিদ্র হয়ে টিনের চালা বিদ্যুতায়িত হয়। ঐ চালার সঙ্গে কাপড় শুকানো গুনা তার লেগে থাকায় সেটাও বিদ্যুতায়িত হয়। বিদ্যুতের তার ছিদ্রের বিষয়টি কেউ বুঝতে পারেনি।
.png)
কিংকং মোল্লা ও তার ছেলে সোহান জয়যডিহি বাজারে তাদের নিজস্ব পরিচালিত খাবার হোটেল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি আসেন। এরপর সোহান গোসল করে উঠানে টাঙানো গুনা তারে গামছা ছড়িয়ে দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চিৎকার করেন। এ সময় কিংকং মোল্লা দৌড়ে গিয়ে ছেলেকে ধাক্কা দিয়ে দূরে ফেলে দেন। এতে ছেলে প্রাণে বেঁচে গেলেও গুনা তারের এক প্রান্ত ছিঁড়ে কিংকং মোল্লার গায়ে পেঁচিয়ে যায়। এতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
এ সময় কিংকং মোল্লার স্ত্রী ও মেয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এতে তারাও আহত হন। পরে প্রতিবেশী ফিরোজ উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হন। এরপর স্থানীয়রা ঐ ঘরে ঢুকে মেইন সুইচ বন্ধ করে দেন। ততক্ষণে কিংকং মোল্লার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহতদের মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মোল্লাহাট থানার ওসি সোমেন দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।