গ্রেফতাররা হলেন, তোফাজ্জেল হোসেন (৪৫), নুর মোহাম্মদ (৩২), শহিদুল্লাহ (৪৫) ও মো. আনোয়ার হোসেন (৩২)।
রোববার (১১ জুন) র্যাব-৪ এর মিডিয়া কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাজহারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, ভিকটিম একজন গার্মেন্টকর্মী। ওই নারী একই গার্মেন্টে কর্মরত এক বান্ধবীর সঙ্গে গত ১৫ মে তোফাজ্জেল হোসেনের সঙ্গে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা করতে আসেন। সেখান থেকে ভিকটিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে ধরে তোফাজ্জল বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের মোবাইলে কল দিয়ে তার বান্ধবীর সম্পর্কে জানতে চাইতেন।
তিনি আরও জানান, গত ৯ জুন তোফাজ্জেল হোসেন ভিকটিমের মোবাইলে কল দিয়ে দেখা করার কথা বলে কৌশলে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের হাতকোড়া বাজারে ডেকে নেন। ভিকটিম সেখানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাতকোড়ার সাদেক কোম্পানির ইটভাটার উত্তর পাশের চকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ধর্ষণের পর তোফাজ্জেল হোসেনসহ অন্য আসামির সহায়তায় ভিকটিমের বিবস্ত্র শরীরের স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফোনে ধারণ করে রাখেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে হুমকি প্রদান করেন। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।