মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেয়। জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, একটি দেশীয় তৈরি সচল এলজি, একটি কার্তুজসহ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্রসহ খোরশেদ গ্রেফতার হন। পুলিশ তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে। আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
.png)
দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের আতরের জামানের ছেলে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার চরলরেন্স গ্রামে একদল ডাকাত অবস্থান করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। এক পার্যায়ে খোরশেদকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
কমলনগর থানার এসআই সফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে খোরশেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কমলনগর থানার এসআই জুনায়েদ সাকিল আদালতে খোরশেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন। খোরশেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৯টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত খোরশেদকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।