রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সারাদেশের মতো রাজশাহী মহানগরীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পেইনে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী আট হাজার ৯৫১ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৬ হাজার ৪৬৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী আট হাজার ৯১০ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৬ হাজার ২৯৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টিজনিত শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে ৩৮৪টি কেন্দ্রে ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত করা হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রেখে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।
.png)
তিনি আরো জানান, ক্যাম্পেইনে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী আট হাজার ৯৫১ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৬ হাজার ৪৬৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী আট হাজার ৯১০ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫৬ হাজার ২৯৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শতকরা ৯৯ দশমিক ৫৩ এবং ১২ থেক ৫৯ মাস বয়সী শতকরা ৯৯ দশমিক ৬১ ভাগ শিশুকে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রায় প্রায় শতভাগ।