মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব- ১৩ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়েছে, শহিদুল ইসলাম ২০০৩ সালে ঢাকার সদরঘাট এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী স্বপন মিয়ার বাড়ির দারোয়ানের চাকরি নেন। এরপর ঐ বাসার গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ালে গৃহকর্মী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা জানতে পেয়ে বাড়ির মালিক শহিদুল ইসলামকে বাসা থেকে বের করে দেন।
ঐ গৃহকর্মীর বাবা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শহিদুলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শহিদুল বিয়ে করতে অস্বীকার করলে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ঐ গৃহবধূর বাবা।
.png)
আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে বিচারকার্য শেষে ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায়ের পর থেকেই শহিদুল বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে চলে যান।
সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ রংপুর নগরীর তাজহাট থানার শেখপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কাফ্রিখাল গ্রামে।