ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আদালতে ২ যুবকের দায় স্বীকার

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৫৭, ২১ জুন ২০২৩
স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আদালতে ২ যুবকের দায় স্বীকার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গৃহবধূ (১৮) গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ যুবক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।  

বুধবার বিকেলের দিকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. এমদাদ হোসেনের আদালতে আসামিরা দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামিরা হলেন, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ (৩০) ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলা উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)। তবে এ মামলার প্রধান আসামি মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর নবীর ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৫) এখনো পলাতক রয়েছেন।  

Advertisement

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ্ আলম। তিনি বলেন, বুধবার বিকেলে পুলিশ গণধর্ষণ মামলার ২ আসামি ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় আদালতে জবানবন্দি দিতে চাইলে তাদের নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. এমদাদ হোসেনের আদালতে হাজির করলে তিনি জবানবন্দি রেকর্ড করেন।   

জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার ২০ জুন রাত ১১টার দিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গৃহবধূ (১৮) গণধর্ষণের ঘটনার ৬ দিন পর ২ ধর্ষককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। গত রোববার ১৮ জুন এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর স্বামী মামলা দায়ের করেন। এর আগে, বুধবার ১৪ জুন বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পর্যটন এলাকা মুছাপুর স্লুইচ গেটের পূর্ব পাশের বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ১৪ জুন বেলা সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধূ (১৮) তার স্বামীর সঙ্গে নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে মোটরসাইকেলযোগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর স্লুইচ গেট এলাকায় ঘুরতে আসেন। গেট পার হয়ে পূর্বদিকে বাগানের পার্শ্বে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় আসামি জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল উদ্দিন হাতে ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়া ঘটনাস্থলে ভিকটিম ও তার স্বামীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।

একপর্যায়ে তিন আসামি ভিকটিমের স্বামীকে গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে বেঁধে তার স্ত্রীকে বাগানে নিয়ে গণধর্ষণ করেন। অপর আসামি জালাল উদ্দিন তখন ভিকটিমের স্বামীকে পাহারা দেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!