মারধরের শিকার কিশোর পন্টু দাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা যায়।
নিহত পান্টুর গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার রত্নগতি গ্রামে। তার বাবার নাম বকুল দাস।
.png)
নিহতের চাচা অনুকূল দাস জানান, একই গ্রামের বাবুল দাসের মেয়ে শতাব্দীর সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে পান্টুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের জেরে শতাব্দী দাস তাকে মোবাইলে গত বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ডেকে নেয়। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে কথা বলার সময় শতাব্দীর বাবা বাবুল ও তার ভাই সাগর দেখে ফেলেন। পরে একটি শক্ত কাঠ দিয়ে পান্টুকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা গুরুতর জখম হয়। এই খবর পেয়ে পান্টুর স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ঢামেকের জরুরি বিভাগে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।