ক্যাম্পের একাধিক সূত্র বলছে, এসব অপরাধের সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র কয়েকটি সন্ত্রাসী বাহিনী সম্পৃক্ত। এর মধ্যে রয়েছে- আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা), রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) ও সন্ত্রাসী নবী হোসেন বাহিনী।
এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর হাত থেকে স্থানীয় বাসিন্দাসহ সাধারণ রোহিঙ্গারাও রেহাই পাচ্ছে না। সর্বশেষ গত ৭ জুলাই আরএসও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে খুন হয় অন্য সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার পাঁচ সদস্য। এ পরিস্থিতিতে এই দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যদের তালিকা করে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
.png)
সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, মানবপাচারসহ নানা অপরাধের সঙ্গে আরসা ও আরএসও সন্ত্রাসী গ্রুপের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। গত ৬ বছরে বিভিন্ন ক্যাম্পে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জেরে ১৬০ এর অধিক লোক খুন হয়েছে। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। ছয় বছরে ২ হাজার আটশো মামলায় আসামি করা হয়েছে ৬ হাজার ২২৬ জনকে। এর মধ্যে ১১৫টি হত্যা, ১৮৫টি অস্ত্র, ১ হাজার ৬৩৬টি মাদক, ৮৮টি ধর্ষণ ও ৩৯টি অপহরণ মামলা রয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা সাধারণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
এ বিষয়ে ১৪-এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আমির জাফর বলেন, ক্যাম্পে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।