কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ জানান, সোমবার সন্ধ্যায় জেলা সদর উপজেলার ভেদভেদি আনসার ক্যাম্পের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় লজ্জাবতী বানরটি দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ এটি উদ্ধার করে কাপ্তাই রেঞ্জে বুঝিয়ে দেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ছালেহ মো. শোয়াইব খানের নির্দেশে লজ্জাবতী বানরটি রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।
.png)
বন কর্মকর্তা আরো জানান, লজ্জাবতী বানর সাধারণত দিনের বেলায় চোখে দেখে না। লজ্জাবতী বানর রাতে চলাফেরা করে এবং খাদ্য খেয়ে জীবন ধারণ করে। তাই এটাকে রাতে অবমুক্ত করা হয়েছে।
কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে এ নিয়ে চলতি বছরে তিনটি লজ্জাবতী বানর অবমুক্ত করা হলো।
জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউএনসি) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ও টেকসই ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাজ করে। তাদের মতে জাতীয় উদ্যানের তালিকায় এই মহাবিপন্ন প্রাণীটির নাম নেই অথচ কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে প্রায়ই লজ্জাবতী বানর দেখেছেন বলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান।