খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ইটনা উপজেলায় জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন না-দেওয়ায় ব্যাপক হারে বেড়েছে কুকুরের সংখ্যা। হাট-বাজার ও পাড়ার বিভিন্ন অলিগলিতে এসব কুকুর খাবারের জন্য দলবেধে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।
সম্প্রতি উপজেলা সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গ্রাম, পুরান জেটিঘাট, মধ্যগ্রাম, নগর হাটি, পূর্বগ্রাম ও দুয়েরপাড় এবং ধনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অলিগলি ও নির্জন রাস্তায়, শাহিদ মিয়া (৭), সাবিহা খাতুন (১৩), তানভীর (১৯) ইয়ামিন (৬) ও ঈশা খাঁ’সহ (১১) ৬০ জন নারী-পুরষ ও শিশুকে কামড়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।
.png)
কুকুরে কামড়ানো অনেক রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন না পেয়ে বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করতে হয়েছে। ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার।
গত শনিবার উপজেলা সদরে কুকুরে কামড়ানো ১২ জনকে ও এক সপ্তাহে ৪৫ জনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে বলে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে।
তারা আরো জানায়, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমাণ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে। বেওয়ারিশ কুকুরদের ভ্যাকসিন দিতে ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হয়েছে।
ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক অতীশ দাস রাজীব বলেন, গত এক সপ্তাহে ৪০ জনের বেশি মানুষকে কুকুর কামড়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি। কুকুরের ভ্যাকসিনের জন্য ঊর্ধ্বতনদের অবহিত করেছি।