গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন- নাঈম শিকদার (২০), বিলকিস বেগম (৫৫), হান্নান ফকির (৬৫), আলমগীর (৫০), রাব্বি (৪০), অহিদুল (৪৫), আব্দুল্লাহ (১৫) এবং বাকি (১৫)। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ব্যক্তিদের ফ্রি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনার পর কুকুর আতঙ্কে রয়েছে শিশু কিশোর ছাত্র-ছাত্রীসহ অনেকে। আবার অনেকে কুকুরের কামড় থেকে রক্ষা পেতে হাতে লাঠি অথবা ইট পাটকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রাণেশ চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৪১ জন চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের ফ্রি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, এখন কুকুরে কামড়ানোর সিজন না। তারপরও বেওয়ারিশ কুকুরগুলো কামড়াতে পারে। এই মুহূর্তে জনসচেতনতার প্রয়োজন।