বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে সহযোগিতা করেন ভৈরব পৌরসভার খাদ্য পরিদর্শক নাসিমা বেগম ও ভৈরব থানা পুলিশ। এ সময় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ভেজাল মসলার কারখানাটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
হোটেলে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি, বিক্রি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ভৈরব বাজারের বটতলা রোড এলাকার দারুচিনি রেস্টুরেন্টকে ২৫ হাজার টাকা, দুধ বাজার আম্মাজান হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা, আলমগীর হোটেলকে ২০ হাজার টাকা, টিনপট্টি এলাকায় ভগবতি মিষ্টান্নকে ২৫ হাজার টাকা, রমেশ মিষ্টান্নকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়া হলুদপট্টি এলাকায় ভেজাল মসলা তৈরির কারখানার মালিক হামিদুল মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
.png)
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি, মসলার পরিবর্তে মরিচ ও হলুদের সঙ্গে নিম্নমানের চালের গুঁড়া, ভূসির গুঁড়া, ইটের গুঁড়া ও ক্ষতিকারক রং মিশিয়ে ভেজাল মসলা তৈরি করে যারা জনস্বার্থ বিরোধী কার্যক্রম করছেন তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।