এদিকে সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে, কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে। সমুদ্রের বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে বাতাসের তীব্রতাও কিছুটা বেড়েছে। তাই উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোনো সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।
পটুয়াখালীর পায়রা চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
.png)
এদিকে বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে টিকতে না পেরে বেশির ভাগ মাছধরা ট্রলার মহিপুর ও আলীপুরের পোতাশ্রয় খাপড়া ভাঙ্গা নদীতে আশ্রয় নিয়েছে।
আলীপুর-কুয়াকাটা মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি আনসার মোল্লা জানান, এ মৌমুসে ৬ টি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। তাই গত ৫ দিন আগেই খাপড়াভাঙ্গা নদীতে সকল মাছধরা ট্রলার আশ্রয় নিয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে আসলে ফের সকল মাছধরা ট্রলার গভীর সাগরে যাত্রা করবে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে এবং এ বৃষ্টির ধারা আরো বাড়তে পারে।