রোববার সকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূর মেয়ে পূর্ণিমা বেগম বাদী হয়ে আলী হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় পুলিশ আলী হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট মডেল থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম জানান, হত্যার শিকার ঐ নারীর মেয়ে পূর্ণিমা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামি আলী হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ফিরোজা বেগমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
.png)
শনিবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার দেওয়ানবাটি এলাকায় নিজ বাড়ির শৌচাগার থেকে ফিরোজা বেগম (৩৭) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে, একইদিন দুপুর দেড়টায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ফিরোজার স্বামী মোহাম্মাদ আলী হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। পারিবারের দাবি পরিকল্পিতভাবে গত ৩০ জুলাই রাতে ফিরোজাকে হত্যা করে শৌচাগারের মধ্যে গুম করেন তার স্বামী আলী হোসেন। পরে ৩ আগস্ট স্ত্রীকে নিখোঁজ দাবি করে বাগেরহাট মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মোহাম্মদা আলী হোসেন।
নিহত ফিরোজা বাগেরহাট সদর উপজেলার বেগম দেওয়ানবাটি গ্রামের গফুর মোল্লা ওরফে ছুইটের মেয়ে। বছর দেড়েক আগে মাত্র দুইদিনের পরিচয়ের সূত্রে বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকায় আজিজ মোল্লার ছেলে মোহাম্মাদ আলী হোসেনকে বিয়ে করেন স্বামী পরিত্যক্তা ফিরোজা বেগম।