গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ফাতেমা বেগম এবং তার স্বামী শুক্কুর আলী। শুক্রবার এ তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুল হাসান।
গত বুধবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় চান্দিনার মাইজখার ইউনিয়নের করতলা গ্রামের ছাড়াগাঁও নামক এলাকা থেকে আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আরিফ পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার সাতগাঁও গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে।
.png)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, আরিফের সঙ্গে চার সন্তানের মা ফাতেমা বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এক মাস আগে ফাতেমা তার স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে আরিফের ভাড়া বাড়িতে চলে যান। দু’জন এক মাস ধরে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঐ বাসায় থাকার পর ফাতেমা বুঝতে পারেন আরিফ তাকে বিয়ে না করে প্রতারণা করছেন। পরে ফাতেমা তার স্বামী শুক্কুরের কাছে ফিরে গিয়ে নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত বলে জানান এবং স্বামী-স্ত্রী মিলে আরিফকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৭ আগস্ট রাতে শুক্কুরকে নিয়ে আরিফের ভাড়া বাসায় যান ফাতেমা। গিয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকেন শুক্কুর। রাতে আরিফ বাসায় এসে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে শুক্কুর খাটের নিচ থেকে বের হয়ে এসে শুক্কুর শাবল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন এবং বালিশচাপা দেন ফাতেমা। এতে আরিফের মৃত্যু হয়। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেন।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই তারিছ আলী বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা করেন। পরে বুধবার রাতে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ওয়াহিদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফাতেমা ও শুক্কুরকে গ্রেফতার করা হয়।