ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের দুই বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে মৃত কামিল মিয়ার মেয়ে শারমিন বেগমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী একই ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত।
.png)
এর আগে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয়রা একাধিকবার সমাধান করে দিয়েছেন। তারপরও তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। এমতাবস্থায় গত কোরবানির ঈদের আগে শারমিন বাবার বাড়ি এসে আটকা পড়েন।
রোববার সকালে স্বামী ও শশুর ফারুক মিয়া শারমিনের বাবার বাড়িতে আসেন। দিনমজুর মা তাদেরকে ঘরে রেখে কাজের জন্য বাহিরে যান। একপর্যায়ে স্বামী শাকিল মিয়া ও শ্বশুর ফারুক মিয়া শ্বাসরোধ করে শারমিনকে হত্যা করে পালিয়ে যান।
ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া চলছিল। আমিও একাধিকবার সমাধান করেছি।
রাজনগর থানার ওসি বিণয় ভুষণ রায় বলেন, ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে আটক করা হয়েছে। শারমিনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।