সে সময় ফেসবুকে ঐ লাইভ তার ভাগ্নি প্রথমে দেখতে পেয়ে রাজার পরিবারকে জানায়। তবে কোনো লঞ্চ থেকে এবং কোথায় তিনি যাচ্ছিলেন এটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন রাজার পরিবার।
নিখোঁজ ডায়েরি ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজা পেশায় একজন মুরগির খামার ব্যবসায়ী ছিলেন। তার এই ব্যবসার জন্য প্রায় ছয় কোটি টাকা দেনা ছিল। হয়তো সে কারণেই নিজে আত্মহত্যার জন্য নদীতে ঝাঁপ দেন।
রাজার স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, প্রায় ১১ দিন আগে বাড়ি থেকে বের হন রাজা। এরপর মাঝে মধ্যে রাতের বেলা কল দিয়ে কথা বলতেন। তবে পাওনাদারদের ভয়ে ফোন বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকতো। হঠাৎ মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে আমার ভাগ্নি আঁখি আমাকে জানায়, তার মামা রাজা ফেসবুক লাইভে এসে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। এরপর স্বজনরা অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাই কোতোয়ালি মডেল থানায় নিখোঁজ জিডি করেছি।
.png)
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ জিডি করেছেন তার স্ত্রী। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।