বৃহস্পতিবার ভোররাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কামালপুরের শান্তিপুর বাজার ঘাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর গ্রামের ধনু মিয়ার ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩৭), আজিদ মিয়ার ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক (২২) ও মধু মিয়ার ছেলে মো. কবির হোসেন ওরফে কোব্বাত মিয়া।
.png)
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার মো. ছেতু মিয়া ও মো. হারিছ মিয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মো. মোশাররফ মিয়া মিলে হাঁস কিনতে আসেন মিঠামইন। মিঠামইন জিরো পয়েন্টে হাঁস বেচাকেনার কথা হয় এক ব্যক্তির সঙ্গে। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তারা মিঠামইনের ঢাকী সেতু এলাকা থেকে নৌকাযোগে হাওরের গভীরে যান। একপর্যায়ে নৌকার পাটাতনের নুচ হতে আরো ৫-৬ জন ডাকাত উঠে আসেন।
এ সময় তিনজনকে গামছা দিয়ে হাত-পা মুখ বেঁধে মারপিট করেন। পরে রামদা, ছুরি, চাপাতির ভয়ভীতি দেখিয়ে ১ লাখ ৭ হাজার টাকা, ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ৫টি মোবাইল ও বিকাশে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ ২ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে রাতে কাটখাল ইউনিয়নের হাওরর পানিতে ছেড়ে দেন। গত ২৩ আগস্ট মিঠামইন থানায় ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. ছেতু মিয়া।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন মিঠামইন থানার ওসি কলিন্দ্র নাথ গোলদার।