স্ত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন
নাটোরে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে স্ত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় স্বামী আহম্মদ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আহম্মদ আলী লালপুর উপজেলার গোধরা গ্ৰামের মৃত দবির উদ্দিনের ছেলে।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ১২ জুন নাটোরের বড়াইগ্রামে আসামি আহম্মদ আলী নিজ পরিচয় গোপন করে ভিকটিমকে বিয়ে করেন। পরে তার স্ত্রীকে পাচারের উদ্দেশ্যে নাটোর শহরের নিয়ে আসেন। সেখানে আসামি আহম্মদ আলী তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ভিকটিমের বাবা আত্মীয়স্বজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর ঐ বছরের ১৯ জুন তাকে নাটোর শহরের গাড়িখানা গোরস্থান এলাকার এক বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে আহম্মদ আলীর বিরুদ্ধে প্রতারণা করে বিয়ে, অপহরণ এবং ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে দীর্ঘ ২০ বছর পর শুনানি শেষে আজ এ রায় দেন আদালত।