বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে পর্যটকদের এমন বাড়তি উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিক্রি বেড়েছে খাবার হোটেল এবং আবাসিক হোটেলে।
শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টের দু’পাশ মুখর হয়ে ওঠে আগত পর্যটকদের পদচারণায়। লেম্বুর চর, শুঁটকি পল্লী, ঝাউবন, গঙ্গামতির লেক, কাউয়ার চর, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির, কুয়াকাটার কুয়া, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন তাঁত পল্লী, তিন নদীর মোহনা ও লাল কাঁকড়ার চরের মতো ট্যুরিস্ট স্পটগুলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। পদ্মাসেতু চালু হওয়ার পর থেকেই কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
.png)
সৈকতে আসা এক পর্যটক জানান, আগে বেশ কয়েকটি ফেরি পার হয়ে কুয়াকাটায় আসতে হতো। অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে তখন। এখন কয়েক ঘণ্টায় কুয়াকাটা আসতে পারছেন তারা।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কুটুমের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির জানান, বর্ষার সময় আগে তেমন পর্যটক থাকতেন না। তবে পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক বেড়েছে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকে কুয়াকাটা।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে ট্যুরিস্ট স্পটগুলোতে।