শুক্রবার সকালে চারটি লঞ্চ সুন্দরবনে প্রবেশ করেছে পর্যটক নিয়ে। এছাড়া ট্রলার এবং জালিবোটেও পর্যটকরা করমজলে যাচ্ছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সবার জন্য।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, প্রজনন মৌসুমে বনটির ৪২০টি নদী-খালে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এর ফলে নির্বিঘ্ন হয় ইলিশসহ ৪৭৫ প্রজাতির মাছের প্রজনন।
.png)
এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বনের নদী-খালে মাছ এবং বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে এ নিষেধাজ্ঞার সময়ে। এর ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হয়েছে।
সুন্দরবনে বর্তমানে ১১৪টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, দুই লাখ হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, সুন্দরীসহ ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড এবং ৩০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের মধ্যে ১৮৭৪ বর্গ কিলোমিটার জলভাগে কুমির, ছয় প্রজাতির ডলফিনসহ ২৯১ প্রজাতির মাছ রয়েছে।