জেলে হানিফ গাজী বলেন, আমারা ঈদ আসলে যে আনন্দ পাই, সে রকম আনন্দ পাচ্ছি সুন্দরবনের পাস খুলে দেওয়ায়।
ট্রলার মালিক আনতানুর, আবু বাক্কার সিদ্দিক, শফিকুল ইসলাম গাজী ও আব্দুল হাকিমসহ অনেকেই বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে আমাদের ট্রলারগুলো ঘাটে বসিয়ে রেখেছিলাম। ফলে নোনা পানিতে ট্রলারে নিচের তক্তা সব নষ্ট হয়ে গেছে। পাস ছাড়বে এমন খবর শুনে সমিতি থেকে সুদের টাকা নিয়ে ট্রলার মেরামত করছি।
.png)
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা বলেন, সরকারি আদেশে গত তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুক্রবার থেকে সুন্দরবনের দ্বার উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনের মধ্যে যেসব নির্ধারিত অভয়ারণ্য এলাকা আছে সেখানে মাছ ও কাঁকড়া সংগ্রহ করতে পারবেন না জেলেরা। বনবিভাগের নিয়ম অনুযায়ী যে নদী বা খালগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেখানেই তারা মাছ ও কাঁকড়া সংগ্রহ করতে পারবেন।
সাতক্ষীরা জোন ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবার থেকে সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ করবে। আমরা ট্যুরিস্ট পুলিশ পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি।