মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান, সিলেট এমওজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, দগ্ধদের প্রত্যেকের অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের শ্বাস নালীতে প্রদাহ হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। দগ্ধদের শরীরের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকরা তাদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের আইসিইউ, সিসিইউ রয়েছে। এসব সাপোর্ট লাগলেও দ্রুত দেওয়া যাবে।
.png)
দগ্ধদের চিকিৎসার তত্বাবধানে থাকা হাসপাতালের আবাসিক সার্জন আদনান চৌধুরী জানান, এখানে দুই ধরণের রোগী রয়েছেন। কয়েকজনের শরীর ৩৫-৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। দুয়েকজনের ১৫-২০ শতাংশ পুড়েছে। দগ্ধদের অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সব ধরণের সাপোর্ট দেওয়ার জন্য চিকিৎসকরা প্রস্তুত রয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সিলেট নগরের মিরাবাজার এলাকায় বিরতী সিএনজি ফিলিং স্টেশনে জেনারেটর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন ৯ জন।
দগ্ধরা হলেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের রিপন, একই উপজেলার লুৎফুর, সিলেট নগরীর শাহপরান এলাকার মিনহাজ, ইমন, মুবিন, রুমেল, সুনামগঞ্জের বাদল দাস, টুকেরঘাটের তারেক ও জামালগঞ্জের রুমান।
আহতদের মধ্যে ৫ জন বিরতি সিএনজি স্টেশনের কর্মচারী ও বাকিরা পথচারী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পুরো পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে বিরতি ফিলিং স্টেশনের জেনারেটর হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে পড়ে। এসব জেনারেটরটিতে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশে আগুন ছিটকে পড়ে। এতে ৭ জন আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, আহতদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।