বুধবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুভেন্দু নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার ওসির দেহরক্ষী।
খুলনা সদর থানার ওসি মো. হাসান আল মামুন জানান, সুভেন্দুর মা অনিমা দাস তার ৮ বছরের নাতি তীর্থকে নিয়ে ফরিদ মোল্লার মোড়ের খান মঞ্জিলে ভাড়া থাকতেন। সকালে সুভেন্দুকে তার বোন ফোন করে জানান; তার মা ফোন রিসিভ করছেন না। এরপর তিনি বাড়িতে গিয়ে মায়ের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে সদর থানা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
.png)
তিনি আরো জানান, বিছানার ওপর পড়ে থাকা মরদেহের নাক-মুখ রক্তাক্ত ছিল। এছাড়া তার গলা ও কানের স্বর্ণালংকার এবং আলমারিতে থাকা গহনা নেই। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।