পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অপহরণের ঘটনা ৩৬৪টি। কারণ অপহরণের ঘটনার অধিকাংশ অভিযোগ পুলিশের কাছে আসে না। অভিযোগ দিলে অপহৃত ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এজন্য মুক্তিপণে মুক্তি মেলে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
ক্যাম্পে দিন দিন অপরাধ বাড়ছে উল্লেখ করে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার মো. সাইফুজ্জামান বলেন, আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত আরসাসহ বিভিন্ন গ্রুপ। এসব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড।
.png)
তিনি বলেন, অপহরণের ঘটনায় করা মামলায় এ পর্যন্ত ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। ক্যাম্পে আরসা সন্ত্রাসীদের অপরাধ ঠেকাতে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছি।