সোমবার বিকেলে র্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রোববার মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানাধীন ভূমদক্ষিণ এলাকা থেকে র্যাব তাকে গ্রেফতার করে।
গত ২৬ আগস্ট রাত আনুমানিক আড়াইটায় বগুড়া জেলার সোনাতলা থানাধীন গাড়ামারা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের বসতবাড়িতে জাহেরা বেওয়াকে অজ্ঞাত আসামি গলাকেটে করেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাহেরা বেওয়ার বড় ছেলে মো. কামাল শেখ বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সোনাতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
.png)
এ ঘটনায় সোনাতলা থানা পুলিশ নিহতের ছেলের বউ মোছা. সকিনা বেগমকে সন্দিগ্ধ হিসেবে আটক করে। ঘটনার শুরুতেই বগুড়া পুলিশ ছায়াতদন্ত শুরু করে। সন্দিগ্ধদের উপর নজরদারি করে। এছাড়া এ ঘটনার রহস্য ও আসামিদের মোটিভ উন্মোচনের চেষ্টা চালিয়ে যায়। হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যে কোনো পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে কিনা, কিংবা অন্যকে ফাঁসানোর জন্য করেছে কিনা, জায়গা জমি নিয়ে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে অন্য কারো ব্যক্তিগত শত্রুতা রয়েছে কিনা- সব বিষয় বিবেচনায় রেখে ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের সূত্রে রোববার সন্দিগ্ধ আসামি নিহতের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানাধীন ভূমদক্ষিণ এলাকা থেকে র্যাব গ্রেফতার করে। ঢাকা র্যাব সদর দফতর (ইন্ট উইং) এর সহযোগিতায় র্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া ও র্যাব-৪, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করেন।