সরেজমিন দেখা গেছে, তিন মাসের ব্যবধানে শাক-সবজিতে ভরে গেছে ক্ষেত। মাচায় ঝুলছে ছোট বড় নানা সাইজের লাউ, জালি কুমড়া আর ধুন্দল। রয়েছে পুঁইশাকও।
বাবুল হাওলাদার বলেন, গত জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ দিকে ৩০ শতাংশ জমিতে মাদা তৈরি করে হাইব্রিড ও উচ্চ ফলনশীল জাতের লাউ, জালি কুমড়া, ধুন্দল ও পুঁইশাকের বীজ বপন করি। এতে আমার সব মিলিয়ে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শ্রাবণ মাস থেকে লাউ, কুমড়া ও পুঁইশাক বিক্রি শুরু করি। বর্তমানে তিন শতাধিক লাউ, সাড়ে তিন শতাধিক জালি কুমড়া, ১০০ কেজি ধুন্দল ও পর্যাপ্ত পুঁইশাক বিক্রি করেছি। এরই মধ্যে আমি ষাট হাজার টাকার সবজি বিক্রি করেছি। এছাড়াও ক্ষেতে যে শাক-সবজি রয়েছে তাতে লক্ষাধিক টাকার উপরে বিক্রির আশা করছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রতিটি লাউ ৫০-৭০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০-৬০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং প্রতি আটি পুঁইশাক ২০ টাকায় বিক্রি করেছি। বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালোভাবেই সংসার পরিচালনা করছি।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীম খান মাঝে এসে বাগান পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছেন। তাই বাবুলের সবজি বাগানে রোগবালাইও কম হয়েছে এবং ফলনও ভালো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীম খান বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অধীনে বাবুল হাওলাদারসহ আরো অনেক কৃষকদের সবজি খামারে বিনামূল্যে নানা জাতের হাইব্রিড বীজ, সার ও পরিচর্যা বাবদ অর্থ প্রদান করেছি।