মঙ্গলবার রাতে ভূঞাপুর থানার ওসি মো. আহসান উল্লাহ্ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার রাতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে ও মুখ চেপে ধরে শফিকুল ধর্ষণ করেন। পরে ধর্ষিতাকে বেঁধে রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ডাক-চিৎকারে তার মা ও বড় বোন এসে ওড়না দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।
.png)
বিষয়টি ওই কিশোরী তার বাবাকে জানালে মা ও বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ করা হয়। শফিকুলের পরিবারের লোকজন রাতে শফিকুলকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বাড়িতে এসে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং উপযুক্ত বিচার করবে বলে আশ্বাস দেয়। এরপরও থেকেই ওই বিচার নিয়ে তালবাহানা করতে থাকে।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা সোমবার রাতে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক শফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।