টানা ছুটিতে সাজেকে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
শুক্র-শনিবারের সঙ্গে ঈদে মিলাদুন্নবীসহ টানা তিনদিনের ছুটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় জমেছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে। বুকিং হয়ে গেছে শতভাগ রিসোর্ট ও কটেজ। রিসোর্টে জায়গা না পেয়ে অনেক পর্যটক খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টানিয়ে রাত কাটিয়েছেন।
পর্যটকের বাড়তি চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম অবস্থা খাবার হোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা।
শরতের নীল আকাশ ও সবুজ পাহাড় সাজেকে পর্যটকের নিয়মিত ভিড় থাকেলও এবার তিনদিনের ছুটি মেলায় পর্যটক সমাগম বেড়েছে কয়েকগুণ। টানা ছুটিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। পর্যটকে মুখরিত হয়েছে আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা, জেলা পরিষদ পার্কসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলো।
.png)
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানায়, শুক্রবার সাজেক ভ্রমণ করেছে অন্তত ৫ হাজার পর্যটক। তবে আগাম বুকিং দিয়ে না আসায় অনেক পর্যটক রুম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাজেক রুইলুই ও কংলাক পর্যটন কেন্দ্রে হোটেল-রিসোর্টে কোনো রুম খালি নেই, তবুও পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ পর্যটকরা। রিসোর্টে জায়গা না পেয়ে অনেক পর্যটক খোলা আকাশের নিচে তাঁবুতে রাত কাটিয়েছেন।
সাজেক পর্যটন ব্যবসায়ী ও রিসোর্ট মালিক জেরি লুসাই জানান, অনেক পর্যটক রুম না পেয়ে সকালে এসে বিকেলে ফিরে গেছেন। যারা রুম পেয়েছেন তাদের অনেকেই তিনমাস আগে রিসোর্ট ও কটেজ বুকিং দিয়েছেন। পর্যটকের বাড়তি চাপ সামলাতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এক পর্যটক বলেন, সাজেকের বাড়তি নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ সাজেককে জনপ্রিয় করে তুলছে। তবে সাজেক সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। দ্রুত সংস্কার না করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার বলেন, টানা তিনদিনের সরকারি ছুটির ফলে সাজেকে পর্যটকের ভিড় জমেছে। বুকিং হয়ে গেছে শতভাগ রিসোর্ট ও কটেজ। তাই পর্যটকদের যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয় সেদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।