ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন স্বামী

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৮:৫৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন স্বামী
গ্রেফতারকৃত ফয়েজ উদ্দিন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সেলিনা বেগমকে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন স্বামী। জবানবন্দিতে মো. ফয়েজ উদ্দিন জানান, গর্ভবতী স্ত্রী সেলিনা বেগমকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মাথার মগজ বের করে হত্যা করেন।

শুক্রবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াজুল কাউছরের আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর লালবাগ থেকে ফয়েজকে গ্রেফতার করেন কিশোরগঞ্জ পিবিআই সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত ফয়েজ ভৈরব উপজেলার ঝগড়ারচর গ্রামের বাসিন্দা। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপপরিদর্শক আবু কালাম। 

Advertisement

তিনি জানান, ২০০১ সালে সেলিনাকে বিয়ে করেন ফয়েজ। তাদের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ফয়েজ বাড়িতে জুতা তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। 

তিনি আরো জানান, ফয়েজের সঙ্গে অনেক নারীর সম্পর্ক ছিল। এসব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। গত ৩১ জুলাই রাতে স্ত্রীকে চার ডজন জুতা কাগজে প্যাকেট করতে বলেন ফয়েজ। জুতা প্যাকেট না করায় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জুতা তৈরির হাতুড়ি দিয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা  স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে মগজ বের করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় গত ১ আগস্ট নিহতের ছোট ভাই নাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় ফয়েজ উদ্দিনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। 

উপপরিদর্শক আবু কালাম জানান, ঘটনার পরপরই ফয়েজ উদ্দিন পালিয়ে যান। শুক্রবার বিকেলে জবানবন্দি শেষে ফয়েজ উদ্দিনকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর লালবাগ থেকে ফয়েজকে গ্রেফতার করেন কিশোরগঞ্জ পিবিআই সদস্যরা। শুক্রবার বিকেলে জবানবন্দি শেষে ফয়েজকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!