গেল শুক্রবার রাতে গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের মৌভাষা বামনটারী গ্রামে নিজের পেটে ছুরি চালান হামিদুল। এ ঘটনায় ছোট ভাই রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, হামিদুল ঢাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছিলেন এবং সেখানে একটি ছোট্ট মুদির দোকান করতেন। কিছুদিন আগে তার চাচাতো ভাই রুবেল মিয়াকেও তার দোকানের পাশে থাকা একটি দোকানঘর ভাড়া নিয়ে দেন। কিছুদিন দোকান করার পর লোকসান হয়েছে জানিয়ে রুবেল ব্যবসা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু দোকান ছাড়তে হলে হামিদুল তিন মাসের ভাড়া দাবি করেন রুবেলের কাছে। হামিদুলের মুখে এ কথা শুনে রুবেল শুক্রবার তার গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
.png)
রুবেলের বাড়ি যাওয়ার খবর শুনে হামিদুলও ঐদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে যান এবং রুবেলের কাছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তাদের পরিবারের লোকজন শুক্রবার রাতে সালিশ-বৈঠকে বসেন। এ সময় হামিদুল ও রুবেলের বাবা পরামর্শ করে তিন মাসের দোকান ভাড়া ১২ হাজার টাকা হামিদুলের হাতে তুলে দেন। কিন্তু হামিদুল ১২ হাজার টাকা না নিয়ে ৮০ হাজার টাকা দাবি করে রুবেলকে চাপ দিতে থাকেন।
একপর্যায়ে হামিদুল তার কোমরে থাকা ছুরি হাতে নিয়ে রুবেলের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন হামিদুলকে বাধা দিলে নিজের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেন হামিদুল। পরে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি মারা যান।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল হোসেন জানান, মৃত হামিদুলের বাবা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় রুবেলকে আটক করা হয়েছে।