মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) রাতে ও বুধবার ভোরে দুই দফায় এ সংঘর্ষ ঘটে বলে জানিয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১৪ (এপিবিএন) এর অধিনায়ক মোহাম্মদ ইকবাল ও ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক আমির জাফর।
ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ক্যাম্প-৮ ডব্লিউ এলাকায় সন্ত্রাসী গ্রুপ আরএসও ও আরসার মধ্যে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে আরএসওর ছোড়া গুলিতে আরসা গ্রুপের শীর্ষ কমান্ডার চাকমাইয়া ওরফে ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
.png)
এপিবিএন-১৪ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, আধিপত্য বিস্তারের জেরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। সেখানে চাকমাইয়া ইউসুফ নামে একজন নিহত হন। তিনি ক্যাম্প-৯ এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে।
এদিকে, ঐ ঘটনার জেরে বুধবার ভোর সাড়ে ৬টায় ক্যাম্প-১৫ এলাকার ডি/৪ ও ডি/১৩ ব্লকে আরসা ও আরএসও গ্রুপের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ হয়। এ সময় আরসা সন্ত্রাসীরা আরাফাত হোসেন নামে এক রোহিঙ্গাকে তুলে নিয়ে ডি/৪ ব্লকের রাস্তায় গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তিনি ঐ ক্যাম্পের ডি/১৩ ব্লকের ইমান হোসেনের ছেলে।
৮-এপিবিএনের অধিনায়ক আমির জাফর বলেন, খবর পেয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উখিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ক্যাম্প থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।