তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী। তিনি জানান, পারস্পরিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান চলছে।
এর আগে, বুধবার (৪ অক্টোবর) ভোরে উখিয়া বালুখালী ৮ ডব্লিউ ক্যাম্পে ও জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসব ঘটনা ঘটে।
.png)
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বুধবার ভোরে উখিয়া বালুখালী ৮ ডব্লিউ ক্যাম্পে দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইউসুফ নামে এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মারা যান। নিহত ব্যক্তি আরসার কিলিং স্কোয়াডের সদস্য ছিলেন।
এদিকে, উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ভোরে জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসার একদল দুষ্কৃতিকারীর সঙ্গে আরেকদল সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলি হয়। এ সময় আরসার সন্ত্রাসীরা আরাফাত নামে এক রোহিঙ্গা কিশোরকে তুলে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর পালিয়ে যান।
উখিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে ক্যাম্পের অস্থায়ী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পুলিশ ও এপিবিএন সূত্র জানিয়েছে, এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।