হত্যার ৬ মাসের মাথায় রায় ঘোষণা করায় রাষ্ট্র পক্ষ, মামলার বাদী ও স্থানীয়রা সন্তুষ প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফন্টু মন্ডল আলমডাঙ্গা উপজেলার পোল বাগুনদা গ্রামের মৃত ইসলাম মন্ডলের ছেলে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে কোট কাস্টডিতে নেয়া হয়েছে।
.png)
জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সন্ধায় ফন্টু মন্ডল কৌশলে স্ত্রী ডালিমা খাতুনকে পেঁয়াজ তোলার কথা বলে বাড়ি থেকে সাবাস বিলের মাঠে নিয়ে যায়। ফন্টু মন্ডল বাড়ি ফিরলেও স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে পাইপের ভেতরে ফেলে গুম করেন। নিহতের ছেলে মায়ের সন্ধান চাইলে বাবা বলেন, দাদি বাড়ি গিয়েছে ফিরে আসবে। পরের দিন ছেলে সকালে প্রতিবেশিদের নিয়ে সাবাস বিলের মাঠে গিয়ে দেখতে পায় পাইপের ভেতরে চুল দেখা যাচ্ছে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে বাবার নামে আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশিকুল হক একজনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ৩১ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
১৭ জন সাক্ষীর মধ্য ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।