সোমবার দুপুরে উপজেলার সাহেবের হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এসএম হাবিবুর রহমান উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সফরপুর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালে কোটি টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে বেশকিছু জিনিসপত্র ও টাকা হাতিয়ে নেন হাবিব। ঐ ঘটনায় প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা হয়। মামলার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে হাতিয়ে নেয়ার মালামাল ও টাকা উদ্ধার করে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
.png)
দুই সপ্তাহ কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে তিনি আদালতে হাজির না হয়ে গ্রেফতার এড়াতে গা ঢাকা দেন। পরে আদালত হাবিবকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া চেক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরো পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সোনাগাজী থানার এএসআই রিমন চক্রবর্তী বলেন, আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাওয়ার পর হাবিবুর রহমানের খোঁজে মাঠে নামে পুলিশ। কিন্তু তিনি আত্মগোপনে থাকায় তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এক ব্যক্তির মাধ্যমে জানা যায়, গ্রেফতারের ভয়ে ঢাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন। মাঝেমধ্যে রাতে বাড়িতে এসে আবার ভোরেই চলে যান। গ্রেফতার এড়াতে তিনি প্রায়ই স্থান পরিবর্তন করতেন। সোমবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোনাগাজী উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সোনাগাজী থানার ওসি হাসান ইমাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরো পাঁচটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।