ডাকাতির পর গুলি করে হত্যা, ১১ জনের যাবজ্জীবন
লক্ষ্মীপুরে ডাকাতিসহ মকবুল আহমেদ হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় লিপি বেগম ও নুরনাহার বেগম নামে দু’জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত হোসেন পাটওয়ারী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- কবির হোসেন, ইসমাইল হোসেন, কাউছার, আবুল হোসেন, ছোট কামাল, আনোয়ার হোসেন, রিপন হোসেন, বেলাল হোসেন, আলমগীর হোসেন ও আবুল কালাম বাহার।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গঙ্গাশিবপুর গ্রামের মকবুল আহমেদের ঘরে মুখোশধারী ডাকাতদল প্রবেশ করে। এ সময় ঘরের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন ডাকাতরা। একপর্যায়ে তারা ঘরের গৃহকর্তা মকবুল আহমেদের (৭০) বুকে গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে ঘরে থাকা মূল্যবান মালামালসহ স্বর্ণালংকার লুটে নিয়ে যান তারা। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের মেয়ে দেলোয়ারা বেগম অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।
ঐ বছরের ২৯ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আবুল কাশেম ভূঁইয়া ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে এ রায় দেন আদালত।