শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের পুলেরহাট এলাকায় সৌদি নামক ইটভাটার একটি ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মানিক মিয়া উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে।
বাঘারপাড়া থানার এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় গাইদঘাট গ্রামের ইমামুল নামে এক কৃষক ক্ষেতে ঘাস পোড়ানোর ওষুধ স্প্রে করতে যান। এ সময় দুর্গন্ধ পেয়ে ইটভাটার শ্রমিকদের থাকার ঘরে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। তাৎক্ষণিক ঐ কৃষক স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর দিলে থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের লোকজন এসে মানিকের মরদেহ শনাক্ত করেন।
.png)
নিহত মানিকের ছেলে শরিফুল ইসলাম জানান, তার বাবা পেশা একজন হকার। বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজারে ক্যানভাস করে ওষুধ বিক্রি করতেন। বছরের বেশিভাগ সময়ে বাড়ির বাইরে থাকতেন তিনি। বাড়ি আসবেন বলে ১০ দিন আগে মুঠোফোনে জানান। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তার বাবা। এর আগেও দেরি করে বাড়ি আসার ঘটনা ছিল বলে এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি।
বাঘারপাড়া থানার এসআই শরিফুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ জানার চেষ্টা চলছে।