নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের রইছ উদ্দিনের ছেলে সুজন মিয়া, তার পুত্রবধূ ফাতেমা খাতুন এবং নাতি আট বছরের সজিব মিয়া ও পাঁচ বছরের ইব্রাহীম মিয়া।
স্বজনরা জানান, সুজন মিয়া ঢাকার মোহাম্মদপুর তাজমহল রোড এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। সেখানে আশপাশের এলাকায় ডাব বিক্রি করে পরিবারের চার সদস্য নিয়ে সংসার চালাতেন। বৃহস্পতিবার ভাতিজার বিয়ের অনুষ্ঠানে নিজ বাড়ি নান্দাইলে আসেন। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে ট্রেন দুর্ঘটনায় সপরিবারে নিহত হন।
.png)
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন নান্দাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুণ কৃষ্ণ পাল।
প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের পাশের জগন্নাথপুর এলাকার মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় ভৈরব থাকে ছেড়ে যাওয়া এগারসিন্ধু ট্রেনের পেছনের তিনটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ঢাকার সঙ্গে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কিশোরগঞ্জের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেনে থাকা ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।