বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন। রায় ঘোষণা করার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
হত্যার শিকার শারমিন ফরিদপুর সদরের ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর মল্লিকপাড়া এলাকার আ. সালাম মল্লিকের মেয়ে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট ছিলেন।
.png)
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর মহল্লার বাসিন্দা সাগর মোল্লার সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের সংসারিক বিবাদের একপর্যায়ে শারমিন বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বামীকে তালাক দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী সাগর একই বছরের ২৯ নভেম্বর শারমিনের বাড়িতে গিয়ে তার বুকে ও পেটে চাকু দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে পালিয়ে যান। পরে ১৯ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শারমিন।
এ ঘটনায় শারমিনের ভাই সাইফুল ইসলাম সাগরকে একমাত্র আসামি করে কোতয়ালী থানায় মামলা করেন। গত ৩০ জুন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আজ সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় দেন আদালত।