শুক্রবার সকালে পাঙাশ মাছটি বিক্রি হয়েছে ৩২ হাজার এবং কোরাল মাছটি বিক্রি হয়েছে ১৯ হাজার টাকায়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে মাছ দুইটি ধরা পড়ে।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার বালিয়াতলী গ্রামের জেলে লাল মিয়া বৃহস্পতিবার রাতে পায়রা নদীতে বড়শি ফেলে অপেক্ষা করতে থাকেন। রাত ১টার দিকে বড়শিতে একটি মাছ আটকে গেলে তুলে দেখেন বিশাল আকারের এক পাঙাশ। পরে শুক্রবার সকালে আমতলী মাছ বাজারের মায়ের দোয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন নিয়ে যান এটি। মেপে দেখেন মাছটির ওজন ২২ কেজি। মাছটি ভাগা দিয়ে ৩২ হাজার টাকায় বিক্রি করেন আড়তদার।
.png)
এ বিষয়ে আড়তদার জব্বার চৌকিদার বলেন, এ বছর নদীতে বড়শিতে এত বড় পাঙাশ মাছ আর ধরা পড়তে দেখিনি।
এছাড়া পায়রা নদীর গোল বুনিয়া এলাকায় আরেক জেলে হোসেন ঘরামীর জালে ধরা পড়েছে ১৪ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। শুক্রবার সকালে আমতলী মাছ বাজারের জাকারিয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে যান তিনি। পরে মাছটি ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
ঐ আড়তের মালিক মো. জাকারিয়া বলেন, এটি চলতি বছর এ বাজারে আসা সব চেয়ে বড় কোরাল মাছ। আশা করি এ বছর বড় মাছ মিলবে নদীতে।
আমতলীর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সর্দার জানান, জেলেরা বিভিন্ন সময় নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় নদীতে বড় সাইজের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছে।